protichinta

গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বাঁধ নির্মাণ প্রতিযোগিতা এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যত্

মোহাম্মদ আতিক রহমান

সারসংক্ষেপ

গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকা প্রায় ১.৭ মিলিয়ন কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত; যেখানে চীন, ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের মিলিয়ন জনসংখ্যার বাস। এই তিন নদী এই পাঁচ রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিল্পায়ন, কৃষি-বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে বিশ্বের মোট দরিদ্রের ৪০ শতাংশের বসবাস। বর্তমানে রাষ্ট্রগুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে পানিসম্পদের ওপর অব্যাহত চাপ মোকাবিলা করছে। আর এই চাপ মোকাবিলায় এই নদী অববাহিকায় রাষ্ট্রসমূহ গড়ে তুলছে বিশালকার বাঁধ/ড্যাম। বাঁধ তৈরির উদ্দেশ্য হচ্ছে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো, সেচের জন্য পানি সরবরাহ, শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ করা ইত্যাদি। যদিও গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকার রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে এখনো তেমন কার্যকর আন্তসীমানা নদীর পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত চুক্তি ও আঞ্চলিক অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। এ অবস্থায় অব্যাহত বাঁধ নির্মাণ পরস্পরের মধ্যে তৈরি করছে সন্দেহ ও অবিশ্বাস। এই পরিপ্রেক্ষিতে এই নদী অববাহিকায় বাঁধ নির্মাণ প্রতিযোগিতা কীভাবে আন্তসীমানা নদীর পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে সংকটে ফেলছে তা এই প্রবন্ধের মূল আলোচ্য বিষয়। এখানে বাঁধ নির্মাণ কীভাবে আন্তসীমানা নদীর পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার তিনটি মূলনীতি যথা: পানির সমতাভিত্তিক ও যৌক্তিক ব্যবহার, পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো নির্মাণ ও দায়িত্ব পালনের মানসিকতা, সংকট ও দণ্ড নিরসন-কাঠামোর প্রতি হুমকি সৃষ্টি করছে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

মুখ্য শব্দগুচ্ছ

নদী, দক্ষিণ এশিয়া, পানিসম্পদ, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, বাংলাদেশ, বাঁধ, পানি ও রাজনীতি।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile