protichinta

মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহীদ: মিথ না রিয়েলিটি?

আরিফ রহমান

সারসংক্ষেপ

আমাদের জাতীয় জীবনে ১৯৭১ সাল একটি অতীব তাত্পর্যপূর্ণ বছর। এই বছরই বাংলাদেশ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছিল এদেশীয় রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামধারী কিছু নরপশু। দীর্ঘদিন পর হলেও বর্তমানে এসব রাজাকার, আলবদর নেতার বিচার হচ্ছে। এই বিচার চলাকালে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধীরা মাঠে নেমেছে। এই বিকৃতির অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত নির্মম গণহত্যায় প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা। যদিও যেকোনো গণহত্যাতেই সংখ্যা প্রধান বিচার্য বিষয় নয়, তারপরও সংখ্যার একটি সাংকেতিক তাত্পর্য রয়েই যায়। এই প্রবন্ধে যুক্তি দেখানো হয়েছে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গণহত্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা ৩০ লাখের কম নয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যম এবং গবেষণাপত্র ব্যবহার করে এই দাবির সত্যতা উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৯৭১-এর গণহত্যায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘিরে ‘৩ লক্ষ বনাম ৩ মিলিয়ন’ শিরোনামে যে বিতর্ক করা হয়, তার জবাবও খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে এই প্রবন্ধে। এ ছাড়া দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধে ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে মারা যাওয়া মানুষদের কেন গণহত্যার শিকার বিবেচনা করা উচিত, সে যুক্তিগুলোও প্রবন্ধে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিশেষে বিশ্বের আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গণহত্যার সঙ্গে তুলনামূলক ব্যাখ্যার সাহায্যে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গণহত্যায় যে ৩০ লাখের অধিক বাঙালি গণহত্যার শিকার হওয়া কোনো মিথ নয়, বরং বাস্তবতা তা তুলে ধরা হয়েছে। 

মুখ্য শব্দগুচ্ছ

১৯৭১, মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা, ৩০ লাখ, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শরণার্থী, বঙ্গবন্ধু।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile