protichinta

নব্য উদারনীতিবাদের ত্রুটিগুলো কীভাবে সারাই করা সম্ভব

জেসন হিকেল, অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন

সারসংক্ষেপ

অর্থনৈতিক অ্যাকাডেমিক মহলে নব্য উদারনীতিবাদ একটি পরিচিত ধারণা। ব্যাপারটা যেন এমন, দুনিয়ার অর্থনীতি এ ধারাতে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। পৃথিবী নব্য উদারনীতিবাদী ধারা থেকে কখনো বেরোতে পারবে, বেশির ভাগ মানুষই এটা ভাবতে পারে না। কথা হচ্ছে, ১৯৭০-এর দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নব্য ব্যালান্স অব পেমেন্টের ঘাটতিতে পড়লে রক্ষণশীল অর্থনীতিবিদেরা তত্ত্ব দেন, কেইনসের অঙ্গীভূত উদারনীতিবাদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাঁরা বললেন, ধনীদের হাতে আরও বেশি করে টাকা তুলে দিতে হবে। তাঁদের সেই টাকা বিনিয়োগের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সেবা খাত বেসরকারীকরণ করতে হবে। ফলে তাঁরা সেখানে যে টাকা বিনিয়োগ করবেন, তার কিয়দংশ চুইয়ে চুইয়ে প্রান্তিক মানুষের হাতে যাবে। এতে তাদের জীবনমান উন্নত হবে। এ লক্ষ্যে রিগ্যান যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ করের হার ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৮ শতাংশে নামিয়ে আনেন, আর ক্যাপিটাল গেইন করের হার কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনেন, যেটা ছিল মহামন্দা-উত্তর যুগের সর্বনিম্ন। কিন্তু দেখা গেল, এর ফলে মানুষে-মানুষে ব্যবধান অনেক বেড়ে গেল। আয় ও সম্পদের বৈষম্য আকাশ স্পর্শ করল। তবে নব্য উদারনীতিবাদই শেষ কথা নয়। এখান থেকে বেরিয়ে আসার পথও আছে। এই প্রবন্ধে তার একটা রূপরেখাও দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

মুখ্য শব্দগুচ্ছ

নব্য উদারনীতিবাদ, অঙ্গীভূত উদারনীতিবাদ, ভোকার-শক, রিগ্যান, বাজারের নিয়ন্ত্রণ শিথিল, মুদ্রানীতি, শ্রমিক আন্দোলন।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile