protichinta

স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও গণতন্ত্র

মিজানুর রহমান খান

বাংলাদেশ: কোয়েস্ট ফর ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস—কামাল হোসেন, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, ২০১৩।

আমি ও আমিত্বকে যতটা সম্ভব দূরে সরিয়ে রেখে কামাল হোসেন ইতিহাস নির্মাণ করেছেন। ইতিহাস এমন জিনিস, যা একটু ঝেড়েমুছে নিলেই ঝকঝকে হয়ে ওঠে। জাতির ইতিহাসের ঝকঝকে ষাটের দশকের অন্যতম বরপুত্র কামাল হোসেনের হাতে ঝকঝকে হয়ে ওঠা সেই ইতিহাস। কত তথ্য এখনো অজানা। এই সেদিন আমি তাঁকে অবাক করতে পেরে আনন্দিত হলাম। তিনি যখন জেলে তখন অক্সফোর্ডে তাঁর ওয়ার্ডেন চিঠি লিখেছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিবকে। ব্রিটিশ আর্কাইভস থেকে পাওয়া সেই চিঠি আমি তাঁর হাতে তুলে দিলাম। এমনকি তাঁকে এমন একটি নথি দিলাম, যেখানে তথ্য আছে যে লন্ডনের পত্রিকায় খবর ছাপা হয়েছে কামাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে! ভাগ্যিস পরদিন ভুল সংশোধনী ছাপা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাকশালে ম্লান একজন কামাল হোসেন মন্ত্রিসভা থেকে ‘ছুটি’ নিয়ে অক্সফোর্ডের অল সউলস কলেজে ফেলোশিপ পেয়ে চলে গিয়েছিলেন। সেখানেই বাংলাদেশ: কোয়েস্ট ফর ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস লেখার সূচনা। বইটি ইউপিএল প্রকাশ করেছে ২০১৩ সালে।

১৯৫৯ সালে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাত্ ঘটেছিল। সেই থেকে ১৯৭৫-এর আগস্ট মাঝখানে কয়েক সপ্তাহের বিরতিতে তাঁরা একত্রেই ছিলেন। ১৪টি পরিচ্ছেদের ঝাঁপিতে তিনি বন্দী করেছেন বাঙালির ইতিহাস। ১৮৭১ থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত যে ছয়টি চ্যাপ্টার, যেখানে উত্তাল ষাটের দশক মূর্ত সেগুলো নিয়ে আমি আলোচনা করব। সপ্তম চ্যাপ্টারে ক্র্যাকডাউন ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, অষ্টমে রাষ্ট্রগঠনের চ্যালেঞ্জ, নবমে সংবিধান তৈরি, দশমে পররাষ্ট্রনীতিতে স্বাধীনতার আগের প্রবণতা, একাদশে বৈদেশিক সম্পর্কের উন্নয়ন, দ্বাদশে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, ত্রয়োদশে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ও সবশেষ চতুর্দশে জাতিসংঘে বাংলাদেশ।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile