protichinta

দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তসীমান্ত ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’-এর ধারণা ও ধরন যাচাই নেপালের ‘মাধেস আন্দোলন’: পূর্বাপর

আলতাফ পারভেজ

সারসংক্ষেপ

নেপালকে ভৌগোলিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: পর্বতময় চীন-সন্নিহিত অঞ্চল, স্বল্প উঁচু পাহাড়ি মধ্যাঞ্চল এবং ভারত-সন্নিহিত সমতল অঞ্চল। শেষোক্ত এলাকাটিই তরাই নামে পরিচিত। নেপালি ভাষায় ‘তরাই’ শব্দের অর্থ নিচু সমতলভূমি। সংস্কৃতে এর অর্থ ‘পাহাড়ের পাদদেশ’। পাহাড় আর পুরো সমতলের মাঝামাঝি হিসেবে এই এলাকাটি ‘মধ্যদেশ’ হিসেবে চিহ্নিত হতো অতীত থেকে। সেই ‘মধ্যদেশ’-এর বাসিন্দারাই কালক্রমে ‘মধ্যদেশি’ তথা ‘মাধেসি’। তরাইয়ের অ-পাহাড়িরাই মূলত মাধেসি ‘আইডেনটিটি’ ধারণ করে। এ প্রবন্ধে এই মাধেসিদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিত, তরাইয়ের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য, ভারতের সঙ্গে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ, আন্দোলনের মূলধারা, মাওবাদীদের উত্থান-পতন, পাহাড়িদের ভূমিকা, প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূমিকা ইত্যাদি আলোচনা করা হয়েছে। মাধেসিরা মূলত তিনটি ধারায় আন্দোলন করে। নেপাল রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বশীল সংস্থাগুলোকে আক্রমণ করা; মাওবাদীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা এবং তরাইয়ের জনসমাজকে এমনভাবে বিভক্ত করে ফেলা, যাতে ‘মাধেসি বনাম অন্যান্য’ সমীকরণের আবহ তৈরি হয়। এ আন্দোলনের প্রধান দাবি এখন তিনটি : সকল মাধেসিকে নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট দিতে হবে, পুরো মাধেসকে এক শাসনতান্ত্রিক ‘ইউনিট’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং সেই ইউনিটকে স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম দাবিটি অনেকাংশে পূরণ হয়েছে। বাকি দুটির ভবিষ্যত্ নিয়ে রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে তরাই এবং পুরো নেপালও।

মূখ্য শব্দগুচ্ছ: মাধেস আন্দোলন, থারু, তরাই, মাওবাদী, নেপাল ফেডারেশন অব নেশনালিটিজ, সিএ-টু।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile