protichinta

ছিটমহল বিনিময়: পেছনের কাহিনি ও সামনের চ্যালেঞ্জ

মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী

সারসংক্ষেপ

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক স্থলসীমা চুক্তিটি দীর্ঘ ৪১ বছর পর ২০১৫ সালের মে মাসে ভারতের পার্লামেন্টের অনুসমর্থন পেল। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিতকরণ, অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর ও ছিটমহল বিনিময়সহ সীমান্ত সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাংলাদেশ সে বছরই চুক্তিটি পার্লামেন্টে অনুসমর্থন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সেই অনুসমর্থনের কাজটি করতে ভারত সরকার ৪১ বছর সময় ব্যয় করল। এই দীর্ঘ সময়ে ছিটমহলগুলোতে সৃষ্টি হয় মানবিক সংকট। ছিটমহল সমস্যার সমাধান জাতীয় স্বার্থের দিক থেকে কোনো দেশের জন্যই তেমন কোনো স্পর্শকাতর বিষয় ছিল না। ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে কোনো দেশেরই ক্ষতির কিছু ছিল না। সমস্যাটি জিইয়ে রেখে কোনো দেশ লাভবান হয়েছে, তা-ও নয়। তাহলে কেন এই বিলম্ব? স্থলসীমা চুক্তির অনুসমর্থন শেষ পর্যন্ত কীভাবে সম্ভব হলো? ছিটমহল বিনিময়ে দ্বিপক্ষীয় চ্যালেঞ্জগুলো কী? ছিটমহলের মানুষদের সংকটগুলো কী এবং তাদের পুনর্বাসনের চ্যালেঞ্জগুলো কী? এই প্রশ্নগুলোরই উত্তর খোঁজা হয়েছে এই পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা প্রবন্ধে।

মূখ্য শব্দগুচ্ছ: ছিটমহল বিনিময়, স্থলসীমা চুক্তি, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, অনুসমর্থন।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile